আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
নারী নির্যাতন

বৃদ্ধের যৌন লালসার শিকার মাদরাসা শিক্ষার্থী

ওমেনআই ডেস্ক: মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে ৬৫ বছর বয়সী ছোবান ফকির নামে বৃদ্ধের যৌন লালসার শিকার হয়েছে মাদরাসার এক শিশু শিক্ষার্থী। এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর সিঙ্গাইর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভিকটিমের মা। অভিযুক্ত ছোবাহান ফকিরের বাড়ি উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের উত্তর কাংশা গ্রামে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার ও একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট বেলা ১২টার দিকে স্থানীয় একটি মাদরাসার শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী বাড়ির পাশে একা দাঁড়িয়েছিল। তখন প্রতিবেশি বৃদ্ধ আব্দুস ছোবাহান ওই শিশু শিক্ষার্থীকে কৌশলে বাড়ির অদুরে একটি পাট ক্ষেতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে পরনের কাপড় টানাটানি করলে শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করে। তখন মুখ চেপে ধরে শিশুটিকে ধর্ষণ করে ছোবাহান ফকির।

এ সময় ওই স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় ঘটনাটি দেখে ফেলেন প্রতিবেশি নাজমা বেগম। তিনি এগিয়ে গেলে সেখান থেকে সটকে পরে ছোবাহান। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। লাজলজ্জার ভয়ে ওই দিন কাউকে কিছু না বলে বাড়িতেই শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে পরের দিন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায় স্বজনরা। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই সময়ই তাকে মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে তিনদিন চিকিৎসার পর গত রোববার তাকে বাড়িতে আনা হয়।

ভুক্তভোগী মেয়েটির খালা বলেন, হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আসার পর অভিযুক্ত আব্দুস ছোবাহান ফকিরের আত্মীয়-স্বজন ঘটনাটির মিমাংসার জন্য চাপ দেয়। বিষয়টি প্রকাশ না করতে আমাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়। কোথাও বিচার না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, স্থানীয় মাতবররা ঘটনাটি গোপনে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। বিষয়টি জানার পর ভিকটিমের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটির মা বুধবার সন্ধ্যায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত ছোবান ফকিরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close