আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিল্প-সংস্কৃতি

প্রতিবছর কুমিল্লায় শচীন মেলা করতে চায় জেলা প্রশাসন

ওমেনআই ডেস্ক: শচীন দেব বর্মণ সংক্ষেপে এস ডি বর্মণ ‘শোন গো দখিন হাওয়া’, ‘কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া’, ‘বিরহ বড় ভালো লাগে’, ‘তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল’সহ অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা। নানা বিশেষণে ভূষিত এ কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বের জন্ম কুমিল্লার চর্থায়। শ্রোতাদের কাছে তাঁর কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন আজও কমেনি সেটা যেমন সত্য, তেমনই সত্য হলো জন্মস্থান কুমিল্লায় তিনি যেন উপেক্ষিত। তাঁর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকীতে কুমিল্লায় থাকে না বিশেষ কোনো আয়োজন। এভাবে আর চলতে দিতে চায় না জেলা প্রশাসন। কর্মকর্তারা চান, এ বাংলার অন্য আরো অনেক ব্যক্তিত্বের মতো তাঁকে ঘিরেও প্রতিবছর জেলায় করা হবে বিশেষ আয়োজন, থাকবে তাঁর স্মৃতি রক্ষার জন্য নানা উদ্যোগ।

১৯২৫ সালে শচীন দেব বর্মণ ভারতে চলে গেলে তাঁদের বাড়িতে তৎকালীন সরকার মুরগির খামার ও গরু প্রজননকেন্দ্র স্থাপন করে। ২০১৫ সালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাড়ির মূল অংশ উদ্ধার করে সেখানে ‘শচীন জাদুঘর ও সংগীত সংগ্রহশালা’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

কুমিল্লার বর্তমান জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বলেন, ‘মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামে যশোরে মধু মেলা অনুষ্ঠিত হয়, কুষ্টিয়ায় লালন মেলা হয়, নড়াইলে সুলতান মেলা হয়। আমরা ভাবছি কুমিল্লায় শচীন দেব বর্মণের নামে শচীন মেলা শুরু করব।’ এ বছর থেকেই শচীন মেলা শুরুর আশা করছেন এই কর্মকর্তা।

জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কুমিল্লার সুধিজনরা। শচীন দেব বর্মণকে নিয়ে বই লেখা ও গবেষণায় ব্যস্ত অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, ‘আমরা কুমিল্লাবাসী এক থাকলে জেলা প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে তা সার্থক হবে। আমরা শচীন কর্তার বাড়িটি উদ্ধার করতে পারব। এখানে একটি কমপ্লেক্স করতে পারব।’ শচীন মেলা আয়োজনের সূত্রে তাঁর বাড়ির পুরো জমি উদ্ধার করা যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

সংস্কৃতিকর্মী পাপড়ী বসু বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর বাড়িটি উদ্ধার হয়েছে। এটি হচ্ছে আমাদের প্রথম অহংকার। উপমহাদেশের বিখ্যাত সুরকার ও গায়ক শচীন কর্তা।’ শচীন মেলার আয়োজন ঘিরে নতুন পরিচিতি লাভ করবে কুমিল্লা—এমন প্রত্যাশা করছেন পাপড়ী বসু।

সূত্র/আপলোডেড বাই: কালেরকণ্ঠ/অরণ্য সৌরভ

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close