আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিল্প-সংস্কৃতি

‘আতঙ্কিত’ রুমির প্রথম স্ত্রী অনন্যা

rumii3ওমেন আই:অন্যায়ভাবে অধিকার হরণ, নির্যাতনের শিকার, মানসিক চাপ প্রয়োগ ও হত্যার হুমকিতে আতঙ্কে আছেন বলে জানিয়েছেন সংগীতশিল্পী আরফিন রুমির প্রথম স্ত্রী লামিয়া ইসলাম অনন্যা।
রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাব বর্ধিত হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা জানান।
অনন্যা অভিযোগ করে বলেন, মামলা তুলে নেয়া ও কোনো শর্ত ছাড়াই তালাক দেয়ার জন্য আমাকে ও শিশুপুত্র আরিয়ানকে আরফিন রুমি বিভিন্ন ভাড়াটে লোক দিয়ে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। শিশুপুত্রকে নিয়ে বেঁচে থাকতে সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাই।
তিনি বলেন, “আদালতে আপস মীমাংসার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পর জামিনে বের হন আরেফিন রুমি। এখন তার পরিবারের লোকজন, বন্ধু ও ভাড়া করা লোকজন আমাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছে।”
অনন্যা বলেন, “রুমি আদালতে এক কথা বলেন, বাইরে অন্য কথা বলেন। মামলা তুলে নেয়ার জন্য রুমির আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমানও প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন।”
তিনি জানান, কয়েক দফা আপস মীমাংসার চেষ্টা করেও মীমাংসা হয়নি। কারণ, রুমি মীমাংসা করতে চান না।
অনন্যা অভিযোগ করেন, আদালতে রুমি ‘মীমাংসা’ ও সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাইরে এসে তিনি তালাক দেয়ার জন্য মানসিক চাপ দিচ্ছেন।
আগামী ১৭ জুন মামলার পরবর্তী তারিখে আদালতে হাজির না হতে রুমি, তার আইনজীবী, পরিবারের লোকজন ও সতীর্থরা হুমকি দিচ্ছেন বলেও জানান অনন্যা।

তিনি শিশুপুত্র আরিয়ানের ভবিষ্যত ও নিজের ভবিষ্যতের জন্য ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অনন্যা আরো অভিযোগ করেন, “রুমি জামিনে বের হওয়ার পর আমার ও আমার পরিবারের ওপর নির্যাতন বেড়ে যায়। ৩ মে রাতে বাসায় ফেরার পথে রুমির লোকজন কোর্ট মাজার গেইট এলাকায় রুমির ‘ভাড়া’ করা লোকজন আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। এ নিয়ে ৪ মে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। ১৪ মে রুমি লোকজন দিয়ে আমাদের বাসা ডাকাতি করায় ও আমার মায়ের ওপর হামলা চালায়। এতে প্রায় চার লাখ টাকার মালামাল নিয়ে নিয়ে যায় ডাকাতরা। পরে ১৮ মে বংশাল থানায় একটি মামলা করি। এরপর থেকে নির্যাতন আরো বেড়ে যায়।”

অনন্যা অভিযোগ করেন, ২০০৮ সালে বিয়ের পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের লোকজন ২০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছে। বিয়ের পর থেকে রুমি পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। ২০১২ সালে আমাকে না জানিয়ে আমেরিকায় একটি বিয়ে করেন। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়।

প্রতিবাদ করায় নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। এ নিয়ে ২০১৩ সালের অক্টোবরে মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার পর রুমি গ্রেফতার হন। পরে রুমি ও তার পরিবারের লোকজন আপস মীমাংসার কথা বলে আমাকে রাজি করায়। জামিনে বের হয়ে রুমি আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরিয়ান, অনন্যার মা পারভীন ইসলাম ও অনন্যার ভাইসহ পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা ১৫ জুন (ওমেন আই) // এলএইচ//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close