আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

দুর্নীতি মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ২৭ জুলাই

khh7ওমেন আই:দুর্নীতির দুই মামলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের নতুন দিন আগামী ২৭ জুলই ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার রাজধানীর বকশী বাজার এলাকায় ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক বাসুদেব রায় খালেদার সময় আবেদনের প্রোক্ষিতে সাক্ষ্য গ্রহণ পিছিয়ে এ নতুন দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মোট তিন বার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে গত ২১ এপ্রিল ও ২১ মে মামলায় দুদকের পক্ষে সাক্ষ্য গ্রহণের কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের অজুহাতে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পিছিয়ে দেওয়া হয়। দুই তারিখই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী দুদকের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশীদ আদালতে সাক্ষ্য না দিয়ে ফিরে যান।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লহ মিঞা শুনানিতে বলেন, বিচারিক আদালতের বিচারক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে একটি আপিল শুনানির অপেক্ষায় আছে আগামী ১৩ জুলাই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। উচ্চ আদালতে কোনো মামলা অনিষ্পত্তি অবস্থায় থাকা অবস্থায় বিচারিক আদালতে ওই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের কোনো এখতিয়ার নাই।

এর আগে গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ মোট ১০ আসামির বিরুদ্ধে দুদকের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চেরিট্যাবল ট্রাস্ট দুর্নীতির দুই মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হল তারা হলেন, জিয়া চেরিট্যাবল ট্রাস্ট মামলার আসামি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিস চৌধুরী, নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না, ঢাকা সিটি কর্পেরেমনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ও খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আসামি খালেদা জিয়া এবং খালেদা জিয়ার বড় পুত্র ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যাবসায়ী শরীফ উদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মামুনুর রহমান।

অভিযোগ গঠনের সময় আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাকি আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে আসামি তারেক রহমান সরকারের অনুমতি নিয়ে দেশের বাইরে থেকে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় নি বলে সাংবাদিকদের জানান দুদকের আইনজীবী মোশাররাফ হোসেন কাজল। চার্জ গঠনের পরপরই আসামিপক্ষ চার্জ গঠনকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে একটি রিভিশন মামলা দায়ের কর। উচ্চ আদালত শুনানি শেষে রিভিশন খারিজ করে দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাওঁ থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালে ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলাটির অভিযোগপত্র ১৫ জানুয়ারি আমলে নিয়েছেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত। এ মামলার অপর আসামিরা হলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিস চৌধুরী, নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না, ঢাকা সিটি কর্পেরেমনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ও খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ মামলায় হারিস চৌধুরী বারবর পলাতক রয়েছেন এবং বাকি আসামিরা জামিনে আছেন।

ঢাকা ১২ জুলাই (ওমেন আই) //এলএইচ//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close