আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
ফ্যাশন ও স্টাইল

জামদানি পল্লীতে ঈদের ব্যস্ততা

image_122_22416ওমেন আই: শীতলক্ষ্যার তীর ঘেঁষে রূপগঞ্জ উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রাম। এ গ্রামেই এক সময় রমনিমোহন মসলিন তৈরি হতো। তবে কালের বিবর্তনে এখন তৈরি হয় জামদানি। গ্রামজুড়ে সারিসারি তাঁত। চোখে পড়ে শিল্পীদের কর্মচাঞ্চল্য। প্রায় প্রতিটি ঘরে তাঁতের কাজ চলছে। কেউ সুতো কাটছে; কেউ ব্যস্ত হাতে তাঁত টানছে। সুতো ভরছে কেউ; কেউবা সহযোগিতা করছে অন্যকে। তৈরি হচ্ছে হরেক রকম ডিজাইনের জামদানি শাড়ি। আর রঙিন সুতোয় এভাবেই এখানে শুরু হয়ে গেছে ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি।

নোয়াপাড়া জামদানি পল্লীতে ঈদ উপলক্ষে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে কারিগরদের। বেড়েছে কাজের গতি। বেড়েছে আয়ও। জামদানি শাড়ির চাহিদা বেড়ে গেছে আগের তুলনায় অনেক বেশি। এ কারণে রাত-দিন কাজ করতে হচ্ছে কারিগরদের। এসব শাড়ি বিশ্বের বিভিন্ন দেশসহ দেশের বিভিন্ন অভিজাত দোকানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা দেখা গেছে, বাজারে এ শাড়িই ঢাকাই জামদানি নামে পরিচিত। নোয়াপাড়া গ্রামের সঙ্গে রূপসী, কাজীপাড়া, পবনকুল ও মোর্গাকুল গ্রামেও এখন জামদানি তৈরি হচ্ছে। এ গ্রামগুলোর প্রায় প্রতিটি পরিবারই কোনোনা কোনোভাবে জামদানি শিল্পের সঙ্গে জড়িত।
কেউ সরাসরি কাপড় উৎপাদন করেন, কেউ তাঁতি, কেউ সুতা বিক্রেতা আবার কেউ বিদেশে কাপড় রফতানির কাজে জড়িত। প্রতি পরিবারেই ২/১ টা তাঁত রয়েছে। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও শাড়ি বোনার কাজ করেন।

জামদানি কারখানার মালিকরা জানান, আগে জামদানি শিল্পীরা শুধু শাড়ি তৈরিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। তবে বর্তমানে জামদানি শিল্পে এসেছে নতুনত্ব। শাড়ি তৈরির পাশাপাশি থ্রি পিস, ওড়না, পাঞ্জাবি, পর্দার কাপড়ও তৈরি হচ্ছে এখানে। ঈদ সামনে রেখে জামদানি শাড়ির চাহিদা বেড়ে গেছে অনেক বেশি। এছাড়া ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী এবার আরও উন্নত এবং নতুন ডিজাইনের শাড়ি তৈরি করছেন তারা।

ঢাকা ১২ জুলাই (ওমেন আই) //এলএইচ//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close