আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

গোপীবাগে বাবা-ছেলেসহ ছয় জনকে জবাই

ওমেন আই:

রাজধানীর গোপীবাগের একটি বাসা থেকে একই পরিবারের দুইজন সহ ছয়জনকে জবাই করেছে দুবৃত্তরা। এ ঘটনায় রাত ১০টা পর্যন্ত সন্দেহভাজন সাত জনকে আটক করেছে পুলিশ।
গণমাধ্যমে একই পরিবারের ছয় খুন হয়েছে বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে ঐ বাড়িতে থাকা পীর পরিচয় দেয়া লুৎফর রহমান ফারুক (৬০), তার ছেলে মনির হোসেন (৩০) একই পরিবারের। অন্যরা ফারুকের মুরিদ বলে জানা গেছে। ৬৪/৬ রামকৃষ্ণ মিশন রোডের আয়না ভিলা নামে একটি বাসায় এই নৃশংস হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটে। ওই ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ওয়ারি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা জানান, গোপীবাগের বিসমিল্লাহ মসজিদের গলিতে একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের সবাই পুরুষ। এর মধ্যে লুৎফর রহমান ফারুক (৬০), তার ছেলে মনির হোসেন (৩০), বাসার কেয়ারটেকার মঞ্জু (২৮), শাহীন (২৯), রাসেল (২৮) ও মুজিবুর সরোয়ার (৩০)।
তপন চন্দ্র সাহা জানান, খুনীর সংখ্যা ৭ থেকে ৮ জন হবে। খুন করার পর তারা বাসার বেসিনে রক্তমাখা হাত ধোয়ার আলামত পাওয়া গেছে। দুটি কক্ষে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। একটি কক্ষে দুই জন এবং অপর কক্ষে চার জনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আরেকটি কক্ষে বেশক’জন নারী ও শিশু রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এদের আটকে এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে।

পাশের বাসার মফিজ উদ্দিন নামে একজন জানান, সাড়ে ৬টার দিকে ওই বাসায় তিনি হৈ হুল্লোর শব্দ পান। এসময় ডাকাত ডাকাত বলে সেই বাসায় ছুটে যান। তখন তিনি দু’টি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বাসায় ডুকে তিনি আরো চারটি মরদেহ দেখতে পান।

তিনি জানান, বাড়ির মালিক শারমীন ইসলাম গুলশানে থাকেন। বাসার নিচ তলায় মেস রয়েছে।

ওয়ারি থানার এসআই অখিল রঞ্জন জানান, নিহতদের মধ্যে সব বয়সের লোকেই আছে। পুলিশের ক্রাইম টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে। স্থানীয়দের তথ্য মতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

ওয়ারি জোনের ডিসি ইলিয়াস শরিফ জানান, নিহত লুৎফর রহমান ফারুক (তিনি নিজেকে পীর দাবি করতেন। প্রায় সময় ওই বাসায় মজমা বসতো। নিহতদের মধ্যে তার ছেলে মনির হোসেন, বাসার কেয়ারটেকার মঞ্জু, লুৎফর রহমানের মুরিদ শাহীন, রাসেল ও মুজিবুর সরোয়ার রয়েছে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close