আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

‘এই সরকারের বিচার জনগণই করবে

khaleda bn 28.10ওমেনঅাই:বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগ বুঝতে পেরেছে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিলে তাদের কী পরিণতি হবে।

আমাদের কারও গায়ে হাত দিতে হবে না। জনগণই এই সরকারের বিচার করবে। মানুষ রেগে গেলে নিজেরাই রাস্তায় নামবে। সে জন্যই তারা ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখতে চায়।

আন্দোলনের হুমকি প্রসঙ্গে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন তারা দেশের একটা মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক, এর পরিণতি কেমন হয়। এই প্রসঙ্গে সোমবার রাতে এক মতবিনিময় সভায় খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের বিএনপি-সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মেয়রদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভা হয়।

খালেদা জিয়া বলেন, পদ্মা সেতু দুর্নীতির মামলায় বিচার চলছে, কিন্তু তারা দায়মুক্তি নিয়ে বসে আছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাদের দায়মুক্তি সার্টিফিকেট দিচ্ছে। এ সরকার সব প্রতিষ্ঠান শেষ করে দিয়েছে। সিভিল প্রশাসন কোনো কাজ করতে পারছে না।

সরকারের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতির কথা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, এখন পদে পদে দুর্নীতি, একদিন এর জবাব দিতে হবে। সংসদ, আদালত, মন্ত্রিসভা যেখান থেকে কেউই দায়মুক্ত হবে না। সম্পদ আত্মসাতের জন্য দায় নিতে হবে, সাজা ভোগ করতে হবে।

৭০০ কর্মকর্তাকে ও এসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করে রেখেছে, আর নিজেদের লোকদের ডাবল প্রমোশন দিচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে তারা খারাপ কাজ করাচ্ছে। জোর করে ছেলেদের ধরে নিয়ে গুলি করছে। এর আগে কখনও এমন হয়নি। তাদের নির্যাতন দেখে মানুষ অবাক হয়ে যায়।

মানুষের গায়ে হাত দিয়ে দেখুক
বিচার বিভাগ অসহায় হয়ে পড়েছে দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘বিচারকেরা নিরপেক্ষভাবে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না। বিচার কী হবে তাও বলে দেয়া হয়। এরপরও বিচারকদের হাতে রাখার জন্য অভিশংসন আইন করা হয়েছে।

বিএনপির চেয়ারপার্সন বলেন, সরকার কথায় কথায় জঙ্গিবাদের কথা বলে। এই জঙ্গিবাদের শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের আমলে। তিনি প্রশ্ন করেন, শায়খ আবদুর রহমান কার বোনের জামাই? তাদের সঙ্গেই জঙ্গিবাদের সম্পর্ক। তিনি দাবি করেন, বিএনপি জঙ্গিবাদ দমন করেছে।

খুনিদের সঙ্গে বসবেন না—সরকারের এমন মনোভাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞেস করেন তাদের ডানে-বাঁয়ে খুনিরা আছে। এরশাদ ও ইনু যে খুনি তা বই-পুস্তকেই আছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচ এম এরশাদ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একটু কথা বললেই তার বিরুদ্ধে মামলা তোলা হয়। এর পরদিনই সে (এরশাদ) সরকারের হয়ে কথা বলে।

সরকার বলেছিল নিয়ম রক্ষা, সংবিধান রক্ষার নির্বাচন করছে। এখন আর তারা নড়েচড়ে না, তারা ক্ষমতায় থাকবেন। ১০ মাস সময় দিয়েছি। এখন দেশের জনগণের স্বার্থে প্রয়োজন হয়েছে আন্দোলন করার। আমরা ইতিমধ্যে জনসভার কর্মসূচি দিয়েছি।

আমাদের জনসভার প্রচার যেন কম হয় সেজন্য ইচ্ছাকৃত প্রেস কনফারেন্স করে মিথ্যাচার করা হয়েছে। তিনি নেতা-কর্মীদের আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য আহ্বান জানান।

বিএনপির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান সারোয়ার, খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর (ওমেনআই) /এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close