আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
অপরাধস্লাইড

কলেজছাত্র অনিক হত্যা: একজনের ফাঁসি, দুজনের যাবজ্জীবন

ওমেনআই ডেস্ক : বরগুনায় অনিক চন্দ্র রায় নামের এক কলেজছাত্রকে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ ও খুনের পর মৃতদেহ লুকানোর দায়ে একজনের ফাঁসি ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আছাদুজ্জামান এ রায় দেন।

অনিককে অপহরণের পর খুন ও পরে মৃতদেহ লুকানোর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত বরগুনা পৌরসভার থানা পাড়া এলাকার ছাত্তার গাজীর ছেলে সালাউদ্দীনকে (২৫) ফাঁসি ও সদর উপজেলার গৌরীচন্না এলাকার নাজমুল (২৬) এবং থানাপাড়া এলাকার রুবেলকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সালাউদ্দীনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অপহরণ ও খুনের ১৭ দিন পর অনিকের গলিত মৃতদেহ বরগুনার সদর থানাসংলগ্ন পরিত্যক্ত সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সেপটিক ট্যাংকের মধ্য দিয়ে উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় থানাপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে চা পানের জন্য বাইরে গিয়ে নিখোঁজ হন অনিক। এরপর অপহরণকারী সালাউদ্দীন অনিকের বাবা সুবল চন্দ্র রায়ের কাছে মুঠোফোনে দুই দফায় প্রথমে দুই লাখ ও পরে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণের এই টাকা নিয়ে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলায় যেতে বলে অপহরণকারীরা। সেই অনুযায়ী মুক্তিপণের টাকা নিয়ে আমতলী যাওয়ার পর অপহরণকারীদের মোবাইলটি বন্ধ পাওয়ার তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি অনিকের বাবা সুবল চন্দ রায়।

এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বরগুনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে অনিকের বাবা। পরে এই সাধারণ ডায়েরিটি অপহরণের পর হত্যা ও মৃতদেহ লুকানোর মামলায় পরিণত হয়। এ মামলায় পুলিশ সালাউদ্দীন, নাজমুল ও রুবেলকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হলেও অনিকের পরিবারের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। তাদের প্রত্যাশা ছিল, এ মামলার সব আসামির ফাঁসির আদেশ হবে।

এ বিষয়ে মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কমল কান্তি দাশ ও আবদুর রহমান নান্টু বলেন, মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। এজন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close