আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আন্তর্জাতিক

২৯ বছর বয়সেই স্বেচ্ছামৃত্যু

brittanyওমেনআই ২৯ বছর বয়সী ব্রিটানি মেনার্ড দীর্ঘদিন ধরেই মস্তিষ্কের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। প্রতিদিন একটু একটু করে তিনি এগিয়ে যাচ্ছিলেন মৃত্যুর দিকে। ডাক্তারদের পরামর্শ আর আত্মীয় স্বজনদের ভালোবাসাও মৃত্যুকে দূরে ঠেলে দিতে পারেনি। কিন্তু প্রতীক্ষিত সেই মৃত্যুকে আর দূরে ঠেলে রাখতে চাননি ব্রিটানি। সকল যন্ত্রনার অবসান ঘটিয়ে স্বেচ্ছামৃত্যু বেছে নিলেন তিনি।

গত শনিবার ব্রিটানি নিজের পছন্দের বাসভবনে নিজের রুমে স্বেচ্ছামৃত্যু গ্রহন করেন। এসময় তার সঙ্গে তার খুব কাছের কয়েকজন ছাড়া আর কেউই ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের কমপ্যাসন অ্যান্ড চয়েসেস নামক একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জানায়, ব্রিটানি যুক্তরাষ্ট্রের ‘সম্মানের সহিত মৃত্যু আইন’ এর আওতায় মৃত্যুবরন করেছেন। তবে ব্রিটানি দীর্ঘসময় ধরেই ‘সম্মানের সহিত মৃত্যু’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এক বিবৃতিতে কমপ্যাসন অ্যান্ড চয়েসেস জানায়, ‘ব্রিটানি যা মনস্থ করেছিল তাই হয়েছে। তিনি তার শয়নকক্ষে শান্তিতে মারা গেছেন।’ মৃত্যুর আগে ব্রিটানির সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানটি সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখতো। আর প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ব্রিটানির হয়ে আইনী বিষয়গুলো সুরাহা করা হয়।

মৃত্যুর আগে ব্রিটানি মেনার্ড তার আত্মীয় স্বজন এবং পৃথিবীর মানুষের জন্য কিছু বার্তা রেখে যান। সেখানে লেখা ছিল, ‘জীবন এখানে পানির মতো গড়িয়ে যায়। যারা জীবনকে উপভোগ করছে এবং যারা সুখী তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। যদি আমরা আমাদের চিন্তা পাল্টাতে পারি তবে এই পৃথিবীকেই আমরা পাল্টাতে পারবো। তোমাদের সবার জন্য ভালোবাসা রইলো।’

ব্রিটানি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকত্তোর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। পেশাগত দায়িত্ব এবং মানবিক দিক বিবেচনা করে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যেতেন স্বেচ্ছাসেব হিসেবে। ২৯ বছর বয়সের পুরোটাই তিনি নম্রতা, সমবেদনা, শিক্ষার মর্যাদা আর মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী, মা এবং বাবা।

ঢাকা, ০৩ নভেম্বর(ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close