আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সারাদেশ

সিলেটে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!

saharওমেনআই: বিয়ের দাবিতে চারদিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন এক প্রেমিকা। কিন্তু বেরসিক প্রেমিক ও তার পরিবার এতে রাজি না হওয়ায়- দাবি আদায়ে অনশন শুরু করেছেন তিনি।

এলাকাবাসী জানায়, প্রায় ৫ বছর আগে মোবাইল ফোনের রং-কানেকশানে হবিগঞ্জের ওমান প্রবাসী আবদুল খালিক শারফিনের সঙ্গে গাইবান্ধা শহরের কালীবাড়িপাড়ার মৃত এরশাদ আলী মন্ডলের মেয়ে শাহারা খানম পারভীনের পরিচয় হয়। আবদুল খালিক বাহুবল উপজেলার ডুবাই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

পরিচয়ের সুবাদে শারফিন ও শাহারা মোবাইল ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সময়ের ব্যবধানে মোবাইল ফোনের কথোপকথন ভিডিওকলে রূপ নেয় এবং পরস্পরকে দেখার পর সম্পর্ক আরো গভীরতর হয়।

শাহারা জানান, সম্পর্কের গভীরতা বাড়তে থাকলে তারা মোবাইলফোনে বিয়ের কাজটিও সেরে ফেলেন। বছর তিনেক আগে শারফিন দেশে এসে শাহারাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়ে হানিমুন পর্বও সম্পন্ন করেন। পরে তিনি কর্মস্থল ওমানে চলে যান। এরপর যথারীতি তাদের ফোনালাপ ও ভিডিও কনফারেন্স চলতে থাকে।

শাহারা আরো জানান, গত ২৩ অক্টোবর শারফিন ছুটি নিয়ে দেশে আসেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এবার তিনি (শারফিন) শাহারাকে এড়িয়ে চলতে থাকেন। এমন অবস্থায় গত ৭ নভেম্বর শাহারা গাইবান্ধা থেকে বাহুবলের ডুবাই গ্রামে শারফিনের বাড়িতে হাজির হন। এ সময় শাহারা নিজেকে শারফিনের বিবাহিতা স্ত্রী দাবি করলে শারফিন গা ঢাকা দেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় মুরুব্বি ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়ে শারফিনের পরিবারকে বধুবরণের অনুরোধ জানালে তারা তাতে রাজি হয়নি।

শারফিনের স্বজনরা এ বিষয়ে জানান, তারা এ বিয়ে সংক্রান্ত কোনো খবরই জানেন না। এছাড়া এর উপযুক্ত কোনো প্রমাণাদি না থাকায় তরুণীর দাবির কোনো যৌক্তিকতাও নেই।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফারুক আহমেদ নইমুল্লাহ জানান, তারা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন। ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মাহবুবুর রহমান বিষয়টি বাহুবল থানা কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করেছেন।

বাহুবল মডেল থানার ওসি এ ব্যাপারে বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাটি জানিয়ে আমাকে বলেছেন, তারা সমঝোতার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঢাকা, ১২ নভেম্বর (ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close