আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিল্প-সংস্কৃতি

অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার ১৪২১ প্রদান

anannya awardওমেনআই: সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার ১৪২১’ পেলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক জাহানারা নওশিন। ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল চারটায় জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কৃত লেখকের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি আসাদ চৌধুরী ও কবি শামীম আজাদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য অনেক কবি ও কথাসাহিত্যিক। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন পাক্ষিক অনন্যার সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। এবং সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন কথাসাহিত্যিক ঝর্না রহমান।

বিশেষ অথিতির ভাষণে কবি শামীম আজাদ বলেন, আমরা সাধারণত বলতে ভালবাসি, শুনতে । কিন্তু জাহানারা নওশিন এমন একজন মানুষ যিনি বলার চেয়ে শোনাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।

বিশেষ অথিতির ভাষণে কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, জাহানারা নওশিন বিনয় করে বললেন তিনি লেখা প্রকাশ করতে লজ্জা পেতেন। তিনি আসলে নিজেকে তৈরি করেছেন। তার গদ্যের ডিটেলিং, প্রকৃতির বর্ণনা এসব ক্ষেত্রে অনেকের থেকে আলাদা।

প্রধান অথিতির ভাষণে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক বলেন, অনন্যা নামেই বুঝা যায় এটি আর সকলের চেয়ে আলাদা। অনন্যা যেন নিজেকে বলে আমি দশজনের মধ্যে নই। আমি একাদশতম।

জাহানারা নওশিনকে পুরাষ্কার পাওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে সৈয়দ শামসুল হক বলেন, ১৪০১ থেকে এ পর্যন্ত ধারবাহিকভাবে যারা অনন্যা সাহিত্য পুরষ্কার পেয়েছেন তারা প্রত্যেকেই আমাদের সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অনন্যা প্রায় উপেক্ষিত ও আড়ালে থাকাদের সামনে এনে পুরষ্কার দিয়ে সম্মাননা জানিয়ে আসছে।

অনন্যা সাহিত্য পুরষ্কার দেশের নারী সাহিত্যিকদের দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে মজা করে তিনি বলেন, “এই পুরষ্কারটি কেবল নারীদেও দেয়ায় আমরা উপেক্ষিত হয়ে থাকছি।”

সবশেষে তিনি অনন্যা পুরষ্কারের জন্য তিনি অনন্যা সম্পাদককে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা করেন।

পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক জাহানারা নওশিন তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, আজ এই পুরস্কারের মধ্য দিয়ে আমি মনে করি আমার কাজের মূল্যায়ন হয়েছে। আর নিজের কাজের মূল্যায়ন হলে কার না ভাল লাগে! তাই আমারও ভীষণ ভাল লাগছে। আমি আমার পাঠক-প্রকাশক ও আজকের এই আয়োজক, সকলকে ধন্যবাদ।

সভাপতির ভাষণে অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন বলেন, আমার খুব ভাল লাগছে। প্রতিবছরই এই সময় এমন ভাললাগা কাজ করে। একজন বিশেষ নারীকে এই সম্মাননা দিতে পেরে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে তরুণ কবিরা স্বরচিত কবিতা আবৃতি করেন।

উল্লেখ্য, বাংলা ১৪০১ সন (১৯৯৩ সাল) থেকে অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর একজন কৃতী নারী-সাহিত্যিক অথবা সাহিত্য-গবেষককে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ঢাকা, ০২ ডিসেম্বর (ওমেনআই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close