আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

‘বিজিবির সহায়তা চাই’

full_331909165_1419047316ওমেনঅাই: সীমান্ত রক্ষাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতায় আপনারা সাহসী ভূমিকা পালন করছেন। দেশ গঠনের মহতী কাজেও বিজিবির সহায়তা চাই।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবি দিবস উপলক্ষে সদর দফতর পিলখানায় আয়োজিত কর্মসূচি পরিদর্শনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশ গঠনে যারা ভূমিকা রাখছে সেই বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সবকিছু করবে সরকার। ইতোমধ্যে বিজিবির সন্তানদের সুশিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকায় ছাত্রদের জন্য আটতলাবিশিষ্ট ও ছাত্রীদের জন্য পাঁচতলাবিশিষ্ট ছাত্রীনিবাস গড়ে তোলা হয়েছে। বিজিবি সদস্যদের জন্য বহুতল পারিবারিক বাসস্থান গড়ে তোলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিলখানায় হত্যাকাণ্ড একটি কালো অধ্যায়। বিদ্রোহের নামে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। আমরা ৫৭ জনকে অফিসারকে হারিয়েছি। যাদের হারিয়েছি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাই।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আপনাদের সহযোগিতায় ওই অবস্থা কাটিয়ে উঠেছি, বিচার করেছি।

বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রী বিজিবির জওয়ান ও অফিসারদের রাষ্ট্রীয় পদক প্রদান করেন। দিবসটি উদ্‌যাপন উপলক্ষে বিজিবি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিজিবি বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিবসের কর্মসূচি অনুযায়ী বাদ ফজর পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দফতরসহ বাহিনীর সব ইউনিট মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী সর্বশেষ ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে গিয়েছিলেন। ওই দিন পিলখানায় রক্তাক্ত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৩ জন নিহত হন। পিলখানা থেকে শুরু হওয়া ওই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন ইউনিটে। যার অবসান ঘটে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে বিজিবি করা হয়। পরিবর্তন করা হয় এই বাহিনীর পোশাকও।

ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর (ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close