আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিল্প-সংস্কৃতি

বাংলাদেশ উৎসব

Bangla-utsobওমেনআই: বাজাই বাংলাদেশের ঢোল শিরোনামে শাহবাগের রমনা পার্কে অনুষ্ঠিত হলো বাংলালিংক বাংলাদেশ উৎসব। উৎসব মঞ্চে সকাল থেকে কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান ও কবিতা, মধুসূদন দত্তের সনেট, ফকির লালন শাহ এর লালনগীতি, হাছন রাজার গান, শাহ আব্দুল করিমের লোকগীতি থেকে শুরু করে দেশজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন সঙ্গীত যেমন- ভাওয়াইয়া, গম্ভীরা, ইত্যাদি পরিবেশন করা হয়।

এ উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ ছিল শিল্পী এস এম সুলতানের প্রতি উৎসর্গীকৃত ১০০ ফুট দীর্ঘ ক্যানভাসের চিত্রকর্ম। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলি খেলাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কুস্তিগীর ও কুস্তিপ্রেমীরা জড়ো হন। কুস্তি রিংয়ে বলি চ্যাম্পিয়নরা সাধারণ অংশগ্রহনকারীদের সঙ্গে লড়াইয়ে অংশ নেন।

উৎসবে আরও ছিল ঐতিহ্যবাহী পুতুলনাচ প্রদর্শনী, বায়োস্কোপ, গ্রামবাংলার বিয়ে উৎসব, গ্রামবাংলার গরুর গাড়ি, তাঁত প্রর্দশনী, কামার ও কুমোরপাড়ার জীবনচিত্র, ঢুলী, গ্রাম্য মেলা, পিঠা উৎসব, নাগরদোলা ইত্যাদি। পাহাড়ি ঐতিহ্য এর মঞ্চে দিনব্যাপী পাহাড়ি নাচ প্রদর্শিত হয়। এ ছাড়াও খেয়াঘাট ও বইমেলা আগত দর্শকদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল।

সকালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদ, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক প্রমুখ।

বাংলালিংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার আহমাদ হালিম, চিফ টেকনিকাল অফিসার পেরিহান এলহামি এবং চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ।

প্রখ্যাত উপস্থাপক আবদুন নুর তুষার পুরো সময় জুড়ে দক্ষ হাতে দর্শকদের মন ভরিয়ে অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন। এস আই টুটুল, বারী সিদ্দিকী, পারভেজ, কনকচাপা, সামিনা চৌধুরী, বাপ্পা মজুমদার, কোনাল ও এলিটা, অর্কেস্ট্রা ও ফিউশনের মাধ্যমে গানে গানে দর্শকদের হৃদয় ভরিয়ে দেন।

উৎসবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য অর্কেস্ট্রা ও ফিউশনের মাধ্যমে ব্যান্ড সঙ্গীতশিল্পী নগর বাউল জেমস এবং চিরকুটের পারফর্মেন্স।

অনুষ্ঠানে বিশ্বের এক নম্বর ক্রিকেট অলরাউন্ডার এবং বাংলালিংক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সাকিব আল হাসান তার অনুপ্রেরণীয় বক্তৃতায় আগত সকল অতিথিদের স্বাগত জানান।

বাংলালিংকয়ের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ বলেন, ‘২০০৫ সালে আত্মপ্রকাশের সময় থেকেই বাংলাদেশের একটি নিজস্ব ও স্বতন্ত্র পরিচয় ফুটিয়ে তোলার দিকে বিশেষভাবে মনোযোগী বাংলালিংক। আমরা একটি দেশজ ব্র্যান্ড এবং বছরের পর বছর আমরা এই দেশের মর্যাদা আরও উঁচুতে উপস্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি। এই উৎসব আমাদের প্রত্যয় ও প্রচেষ্টার একটি সম্মিলিত ফলাফল। এ ধরনের একটি বৃহৎ শেকড়ছোঁয়া উৎসবের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের এবছরের কর্মমুখর ও সফল একটি বছরের ইতি টানতে যাচ্ছি।’

ঢাকা, ২৭ ডিসেম্বর (ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close