আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচিসহ ৫ প্রকল্প অনুমোদন

Pm wmn 13.1.15ওমেনআই:প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির প্রথম সংশোধনীসহ ৫ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১৪ হাজার ২১২ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৪ হাজার ১৯২ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং পরিকল্পনা সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করেছে। এসব বিদ্যালয়ের জন্য অতিরিক্ত একজন করে প্রি-প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এ প্রকল্প থেকে করায় প্রকল্পে কিছুটা সংশোধনী আনা হয়। এ ছাড়াও জাতীয়করণ করা ২৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাস্তবায়নে শ্রেণীকক্ষে ল্যাপটপ, সাউন্ড সিস্টেম ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এই প্রকল্পের আওতায় সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত হয়। এ জন্য প্রকল্প সংশোধিত হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে,বিসিক শিল্প নগরী চুয়াডাঙ্গা প্রকল্প, এর ব্যয় ৩২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৩) প্রথম সংশোধন প্রকল্প, এর ব্যয় ১৮ হাজার ১৫৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আওতায় চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ক্রীড়া স্কুল প্রতিষ্ঠা প্রকল্প, এর ব্যয় ৭৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ভোলা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্প, এর ব্যয় ৬৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ৭৪ কোটি টাকা।

প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে অতিরিক্ত অর্থায়ন করছে দাতারা। ফলে এটি বাস্তবায়নে বৈদেশিক সহায়তা অংশের বরাদ্দ বাড়ছে। তবে কমছে সরকারি অংশের ব্যয়। এসব কারণে কর্মসূচিটির প্রথম সংশোধন হয়েছে। এ পর্যায় সংশোধনীতে মোট কর্মসূচির ব্যয় ২২ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা থেকে ৪ হাজার ৩২ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা। তবে মোট ব্যয় কমলেও দাতাদের অংশের অর্থায়ন বেড়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বাড়াতে ২০১১ এ কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। দাতাগোষ্ঠীর সহায়তা নির্ভর মেগা কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ২২ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা। এটি বাস্তবায়নে শুরুতেই বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করেছিল প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থায়ন করেছিল প্রায় দুই হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এছাড়া পিইডিপি-৩ কর্মসূচিতে অর্থায়নকারী দাতা সংস্থাগুলো হচ্ছে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ডিএফআইডি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অসএইড, সিডা, জাপান আর্ন্তজাতিক সহাযোগিতা সংস্থা (জাইকা), কানাডিয়ান সিডা ও ইউনিসেফ।

পিইডিপি-৩ কর্মসূচির অধীনে দেশব্যাপী ৩ হাজার ৬৮৫টি শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ, ২ হাজার ৭০৯টি বিদ্যালয় নির্মাণ, একজন শিক্ষকের অনুকূলে ৪০ জন ছাত্রের সমন্নয় তথা অনুপাত ১:৪০ তে নামিয়ে আনা, ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৫৫টি টয়লেট স্থাপন, ৪৯ হাজার ৩০০টি নলকূপ, ৫৩ হাজার ৭৫০টি প্রশ্রাবখানা নির্মাণ, ১১ হাজার ৬০০টি শ্রেণীকক্ষ মেরামত ও জেলা উপজেলায় রিসোর্স সেন্টার করার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি (ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close