আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
মতামত

শিশুদের রক্ষা করুন

sikkha wmnড. সরদার এম. আনিছুর রহমান: গত কয়েক বছর থেকে আমাদের দেশে শিক্ষিত মানুষের বাম্পার ফলন হচ্ছে হাইব্রিড জাতের ফলনের মতো। লাখ লাখ শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়ে জাতির মুখ উজ্জ্বল করছে। জিপিএ-৫ এর বাম্পার ফলনে কিছুটা ছন্দপতন হলেও আমাদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষামন্ত্রীর চোখে বিশ্বজয়ের উচ্ছ্বাস দেখলাম। নাগরিক হিসেবে আমারও বুক গর্বে ফুলেফেঁপে ওঠার কথা। কিন্তু আমার সামান্য মেধার স্কেলে শিক্ষার এই উন্নতির বাহবাটা ঠিক মেলাতে পারছি না বলে গর্বও অনুভব করতে পারছি না।

জাতির ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি আমাদের শিশুদের শিক্ষা নিয়েও যে চরম অরাজকতা চলছে তা এবার প্রাথমিক সমাপনির ফল বের হবার পর সংবাদপত্রে প্রকাশিত ২-৩ টি চমকপ্রদ ঘটনা থেকেই সহজেই অনুমেয়।

প্রথমত: ‘মেয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ায় আন্দোলনে যাচ্ছেন ঢাবি শিক্ষক!’
দ্বিতীয়তঃ ‘পরীক্ষা না দিয়েও জিপিএ-৫ পেয়ে পাস!’
তৃতীয়ত: ‘ভালো পরীক্ষা দিয়েও ফেল।’

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে মেয়ের ভালো ফলে বিস্মিত পিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাসে শিশুদের পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পাশাপাশি ‘শিক্ষা ও শিশু রক্ষা আন্দোলন’ নামে একটি মঞ্চ তৈরির কথাও জানিয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে মেয়ের ভালো ফলে বিস্মিত পিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাসে শিশুদের পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পাশাপাশি ‘শিক্ষা ও শিশু রক্ষা আন্দোলন’ নামে একটি মঞ্চ তৈরির কথাও জানিয়েছেন। যাতে অন্যদের শরিক হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে। ফাহমিদুল হক এরকম গণ “এ প্লাসকে” “ইনফ্ল্যাটেড এ প্লাস” বিস্ফোরণ বলে উল্লেখ করেছেন।

এই অভিভাবক আরও বলেন, এই এ প্লাস বিস্ফোরণ বন্ধ হওয়া দরকার। এটা শিশুদের রেজাল্ট সম্পর্কে ভুল ধারণা দিচ্ছে। প্রশ্নফাঁসের কথা আলাদা করে বলার প্রশ্নই আসে না। আর পিএসসির মতো শিশুহত্যাকারী পাবলিক এক্সাম আজকেই উঠিয়ে দেওয়া দরকার। সম্প্রতি তিনি সংবাদপত্রে একটি নিবন্ধ লিখেও এই পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

অপর সংবাদটি থেকে জানা যায়, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করেছে সাজ্জাদ হোসেন সাকিব। আবার একই স্কুলের মিম মানতাসা সব পরীক্ষায় অংশ নিয়েও তার রেজাল্ট এসেছে ফেল। হাতীবান্ধার ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ দুটি ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে এই পরীক্ষার ফল।

শিক্ষক ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, তিন মাস আগেই সাকিব তার বাবার সঙ্গে ঢাকায় চলে যায়। পিএসসি পরীক্ষা চলাকালীনও সে ঢাকায় ছিল। এরপরও সে জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করেছে। আবার একই স্কুলের শিক্ষার্থী মিম মানতাসা (রোল ২৪৯৪) সব বিষয়ে অংশ নিলেও তাকে বাংলা পরীক্ষায় অনুপস্থিত দেখানো হয়। ফেল করার বিষয়টি জেনে ওই শিক্ষার্থী মাটিতে লুটিয়ে গড়াগড়ি করে। মিমের ফেলের বিষয়ে শিক্ষকরা কোনও সঠিক উত্তর দিতে না পেরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে ফলাফল পুনঃযাচাইয়ের আবেদন করেন। একইসঙ্গে পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন সাকিবের জিপিএ-৫ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করা হয়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বললেও অনেকের মতে, কেউ না কেউ অনুপস্থিত রোলের বিপরীতে খাতা তৈরি করেছে। অথবা বিদ্যালয়ের শতভাগ পাসের কৃতিত্ব নিতেই এমনটি করা হতে পারে।

এবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার শুরুর দিন থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ব্যাপক অভিযোগ ওঠে। ফলে এবারের এ ফলও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। গতবারও প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল। এতে পরীক্ষায় ভালো ফল করেও মানুষের মাঝে তেমন কোনও আগ্রহ নেই।

আগামী বছর থেকে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য ‘ডিজিটাল’ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে পরীক্ষার আগের দিন কিংবা পরীক্ষার দিন সকালে জেলা প্রশাসকদের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষার হলে বিতরণ করা হবে।

তবে এবারের প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও তারাও মনে করেন ‘কিছু একটা’ হয়েছে। কিন্তু বিশালসংখ্যক পরীক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষা নতুন করে নিতে গেলে বড় ধরনের ঝামেলায় পড়তে হবে। তবে আগামী বছর থেকে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য ‘ডিজিটাল’ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে পরীক্ষার আগের দিন কিংবা পরীক্ষার দিন সকালে জেলা প্রশাসকদের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষার হলে বিতরণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রশ্নপত্রের একাধিক সেট ঠিক করে সেখান থেকে পরীক্ষার আগমুহূর্তে এক বা একাধিক সেট প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আরেকটি বৈঠক করে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানও বলেছেন, ‘পরীক্ষাপদ্ধতি কলুষমুক্ত করার জন্য চেষ্টা চলছে। আগামী বছর থেকে কথা বলার সুযোগ থাকবে না।’

ষষ্ঠবারের মতো প্রাথমিক আর পঞ্চমবারের মতো ইবতেদায়ি সমাপনীতে এবার প্রাথমিকের পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯২ ভাগ। আর ইবতেদায়ির পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৮ ভাগ। গত বছর পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ৫৮ ভাগ ও ৯৫ দশমিক ৮০ ভাগ।

মূলতঃ দেশের সবচেয়ে বড় পাবলিক পরীক্ষা এই দুটি সমাপনীতে ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৭৫৫ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ২৮ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫৬ জন। এবার পাসের হারের সঙ্গে প্রাথমিক সমাপনীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমেছে, এ সংখ্যা কমেছে ইবতেদায়িতেও।

গত বছরের তুলনায় প্রাথমিক সমাপনীতে ১৬ হাজার ৫৫০ ও ইবতেদায়িতে ৮১২ জিপিএ-৫ কমেছে। এবার দুটি সমাপনীতে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৩০ হাজার ৮৫২ জন। এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ২৪৪১১ জন, ইবতেদায়িতে ৬৪৪১ জন।

অন্যদিকে এবার জেএসসি’র পাসের হার ৮৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, জেডিসিতে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। জেএসসি পাসের হার গতবারের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও জিপিএ ৫ কমেছে। গত বছর জেএসসিতে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। এবার জেএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৬৯৪৫ জন আর গত বছর পেয়েছিল ১৫২৯৯৭জন।

এবার জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমানের বক্তব্যে-কয়েক বছর বেশি জিপিএ-৫ নিয়ে নানা কথা উঠেছে। তার ধারণা, এ কারণে হয়তো এবার শিক্ষকেরা খাতা দেখায় কম উদারতা দেখিয়েছেন। তাই জিপিএ-৫ কমতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরাও চাই শিক্ষার্থীরা ভালো ফল করুক, তবে সেটা যেন যোগ্যতা অনুযায়ী হয়।’

যাই হোক, সমাপনী-জেএসসি পরীক্ষায় এ বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীর পাস ও জিপিএ ৫ পাওয়া নিয়ে মন্ত্রীরা খুশিতে আত্মহারা হলেও দেশবাসী খুশি হতে পারেননি। পরীক্ষা পদ্ধতি ও পরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সর্বমহলে। তারা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। ফলে প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষা পদ্ধতি কতটা আমাদের শিশুদের বিকাশের ক্ষেত্রে সহায়ক, না ক্ষতিকারক তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে সবমহলে। ফলে এই পরীক্ষা পদ্ধতি বহাল রাখা উচিত কী না, এ নিয়েও বিতর্ক চলছে।

শিক্ষাবিদ জাফর ইকবালের মতো অনেকেই দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষাব্যবস্থা ও এর ত্রুটিপূর্ণ দিক নিয়ে কথা বলে আসছেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! গত ২৭ নভেম্বর জাফর স্যারের ‘দোহাই, আমাদের শিশুদের ক্রিমিনাল বানাবেন না’ শিরোনামে লেখাটি পড়ছিলাম।

পৃথিবীর কোথাও এ নজির নেই, যেখানে একটি রাষ্ট্র তার দেশের শিশুদের অন্যায় করতে শেখায়। একটা দেশের মেরুদণ্ড পুরোপুরি ভেঙে দেওয়ার চেয়ে পরিপূর্ণ কোনও পদ্ধতি আছে কি?

জাফর স্যার লিখলেন, এত দুঃখ নিয়ে এর আগে তিনি কখনও কাগজ-কলম নিয়ে বসেননি। এরপর তিনি বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তুলে ধরেছেন প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি। এখানে তিনি সবচেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বলার চেষ্টা করেছেন সেটি হল, ‘আমাদের শিক্ষানীতিতে পঞ্চম শ্রেণির শিশুদের জন্য কোনও পাবলিক পরীক্ষার কথা বলা নেই, আমলারা নিজেদের উর্বর মস্তিষ্ক থেকে এটি বের করে জোর করে তা চালিয়ে যাচ্ছেন। বাবা-মায়েরা আগে আরও বড় হওয়ার পর ছেলেমেয়েদের কোচিং করতে পাঠাতেন। এখন এ শিশুদেরই গোল্ডেন ফাইভ পাওয়ার জন্য কোচিং করতে পাঠাচ্ছেন। তাতেই শেষ হয়ে যায়নি- এখন তাদের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করা হচ্ছে, ছোট ছোট শিশুদের হাতে ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্ন ধরিয়ে দিয়ে পরীক্ষা দিতে পাঠানো হচ্ছে, সেই ছোট ছোট শিশুদের অন্যায় করতে শেখানো হচ্ছে। পৃথিবীর কোথাও এ নজির নেই, যেখানে একটি রাষ্ট্র তার দেশের শিশুদের অন্যায় করতে শেখায়। একটা দেশের মেরুদণ্ড পুরোপুরি ভেঙে দেওয়ার চেয়ে পরিপূর্ণ কোনও পদ্ধতি আছে কি?’

‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড’- এ কথা আমরা সবাই স্বীকার করি; কিন্তু বাস্তবে যত অবহেলা শিক্ষার প্রতি। বিগত কয়েকটি সরকারের আমলে লক্ষ্য করা গেছে, নতুন সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পরপরই শিক্ষামন্ত্রী নিজের কৃতিত্ব জাহিরের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় হাত দিয়েছেন। নিজের মস্তিষ্ক থেকে উদ্ভট কিছু চিন্তা জোরপূর্বক গোটা জাতির ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বরং কৃতিত্ব জাহির করতে গিয়ে জাতির মেরুদণ্ডকে আরও বেশি দুর্বল করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীকে অন্যদের তুলনায় একটু বেশি উৎসাহী বলেই মনে হয়েছে।

মহাজোট সরকারের বিগত মেয়াদের প্রথম দিকে এই শিক্ষামন্ত্রী জাতিকে নতুন স্বপ্নের কথা বলে শিক্ষাব্যবস্থায় হাত দেন এবং ব্যাপক পরিবর্তন আনেন। তিনি এমন সব পদক্ষেপ নেন যে, ২-৩ বছরের ব্যবধানেই আমাদের সামনে ফুটে ওঠেছে এর ত্রুটিপূর্ণ দিকগুলো। যতদূর জানি, শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত ইচ্ছায় শিশুদের জন্য এই পিএসসি ও জেএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা চালু করা হয়। এর ফলে জাতির মেরুদণ্ডে আঘাত এলো আরও বেশি করে। এখানেই শেষ নয়, যে কোচিং-বাণিজ্য শিক্ষাকে গ্রাস করছিল, তা আরও বেশি চাঙ্গা হয়ে উঠল। শিশুরা শিখল কীভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে পরীক্ষা দিয়ে গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেতে হয়।

তাই জাফর ইকবালের সঙ্গে সুর মিলিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই, প্লিজ আমাদের শিশুদের ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করুন। তা না হলে যত ভালো কাজই করুন না কেন, এতে জাতির কোনও লাভ হবে না। জাতির সার্বিক উন্নয়ন করতে হলে ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি শিশুদের মেধা বিকাশের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে মেরুদণ্ডকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে।

লেখক: শিক্ষা ও সমাজ বিষয়ক গবেষক।
সূত্র: ওয়েবসাইট

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। ওমেন অাই-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য ওমেন অাই কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

ঢাকা, ১৮ জানুয়ারি (ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close